আজ একজন প্রশ্ন করেছিলেন যে, “আমরা যেসব কথাকে নিজের মনের কথা বলি তা কি আসলেও আমাদের মনের কথা?”প্রশ্নটা পড়ে এ নিয়ে ভাবছিলাম! খানিক ভেবে অনুধাবন করলাম, আসলে এ দুনিয়ায় one-sided ভাবে কোন কিছুই ঘটে না। আর সামাজিক জীব হয়ে বেড়ে ওঠার সুবাদে আমাদের মস্তিষ্ক কিংবা মন কোনোটা-কখনোই আসলে ১০০℅ নিরপেক্ষভাবে কাজ করে না। সুতরাং,এখানে একান্ত নিজের বলেও কিছু নেই!তাই “নিজের” মনের কথা বলতে আমি জন্মানোর পরবর্তীকালের সেই চিৎকার ছাড়া অন্য কিছুকে ভাবিনা। এখন যেই কথাগুলোকে “মনের কথা” হিসেবে জাহির করি তা সবই কোনো না কোনো প্রেক্ষাপটে,নিজের কোনো বিশেষ দিককে প্রদর্শন কিংবা তৃপ্তি দেবার জন্যই বলা। এমতাবস্থায় আবারও বলা আবশ্যক যে প্রেক্ষাপট এবং তৃপ্তি সবই আপেক্ষিক! সময় যাবার সাথে সাথে সবই হয়ে যায় জটিল! তাই আজও পৃথিবীর অন্যতম কঠিন কোর্স – “knowing thyself”
নিজের বলতে কি আদৌ নিজেকেই জানি?